আলোকিত সাম্যবাদের কথা

মৌলিক প্রশ্ন হলো, সমাজতন্ত্র কি? কমিউনিজমই বা কি? কোন কোন সময় আমরা ভূলে যাই যে, সকলেই এই মৌলিক বিষয় গুলো সম্পর্কে সাম্যক অবগত নন। সংশোধনবাদীরাও এ বিষয়ে প্রচুর জলগোলা করেছে । আসুন আমরা বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্ঠা করি ।

প্রথমেই সম্ভাব্য ভূল ধারণা গুলো দূর হওয়া প্রয়োজন । এমন কি ফ্যাসিবাদীদের সম্পর্কে ও যে সকল ভূল ধারনা রয়েছে, ওবামা সমাজতন্ত্রী ও নয়, কমিউনিষ্ট ও নয় । এছাড়া ইউরোপীয় স্যোসাল ডেমোক্রেসীরা ও সমাজতন্ত্রী নয়, নয় তারা কমিউনিষ্ট । যরা বলে সুইডেন, ফ্রান্স ও ওবামা সমাজতন্ত্রী, এবং কমিউনিষ্ট এর সোজা উত্তর হলো তাদের সর্ম্পকে যা বলা হয়, এরা তা নয় ।

বাস্তবতা হলো, আজ সমাজতান্ত্রিক সমাজ কোথাও নেই । কিউবা সমাজতন্ত্রী নয়, ভেনিজ্যুয়েলা সমাজতন্ত্রী নয়, ইরান সমাজতন্ত্রী নয়, ভিয়েতনাম সমাজতন্ত্রী নয়, চীন সমাজতন্ত্রী নয়, লিবিয়া সমাজতন্ত্রী নয়, উত্তর কোরীয়া সমাজতন্ত্রী নয় । তারা কিছু কিছু বিষয় অনুসরণ করে, যা প্রকৃত সমাজতন্ত্রী সমাজতন্ত্রে ও করা হয়, কিন্তু এর অর্থ সমাজতন্ত্র নয়। তাদের কে সমাজতন্ত্র গড়তে হবে । সোজা কথা হলো তারা আজ সমাজতন্ত্রী নয় । ইহা আর বলার দরকার নেই যে পৃথিবীতে বর্তমানে কোন সমাজতান্ত্রী সমাজ নেই । প্রকৃত সত্য হলো, প্রচলিত ও তথা কথিত বেশীর ভাগ সমাজতান্ত্রী সংগঠন গুলোও ভূয়া । মিথ্যা দাবীদার ; তারা হলো সংশোধনবাদী । তারা লাল পতাকা দিয়ে, লাল পতাকার বিনষ্ট করতে চায় । আজ প্রকৃত সমাজতন্ত্রী হলো লিডিং লাইট কমিউনিষ্ট ।

বড় একটি ভূল ধারণা প্রচলিত আছে যে, সমাজতন্ত্র মানেই হলো, রাষ্ট্র কর্তৃক ব্যাপক হারে উৎপাদন ব্যবস্থার উপর মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা, কল কারখানা জাতীয়করন এবং সমাজ কল্যাণমূলক কর্মসূচী গ্রহন । এই সকল বৈশিষ্ট্য সমাজতন্ত্রের খূবই গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় তবে সেগুলোই এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নয় । ফ্যাসিষ্ট রাষ্ট্র, ইউরোপীয় স্যোসাল ডেমোক্রেসী, উদার কল্যাণ রাষ্ট্র আমেরিকা, সৌভিয়েত ইউনিয়ন যুগে রাষ্ট্রীয় পুজিঁবাদী রাশিয়া, এবং চীন, বুর্জোয়া জাতীয় রাষ্ট্র ভেনিজ্যুয়েলা , লিবিয়া, কিউবা, এবং ইসলামী ইরান বিভিন্ন মাত্রায় তারা সেই সকল সামাজিক বিষয় গুলো জনগণের সাথে ভাগাভাগী করে থাকে । কিন্তু তারা প্রকৃত বিচারে সমাজতন্ত্রী নয় । সমাজতন্ত্রকে বুঝতে হলে শ্রেণী সংগ্রাম ও রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোয় নেতৃত্বের বিষয়টি সমানে রেখে বিবেচনা করতে হবে । সমাজতন্ত্রকে অবশ্যয়ই ্কমিউনিজমে উত্তরণের প্রথম স্তর হিসাবে বিবেচনা করতে হবে । সাজতান্ত্রিক সমাজ হলো শ্রমিক শ্রেণী কর্তৃক দখল ও নিয়নত্রিত সমাজ ব্যবস্থা । শ্রমিকশ্রেণী শাসকের ভূমিকায় অবর্তীণ হবে । শ্রমিক শ্রেণী নেতৃত্ব গ্রহন করে তা ক্রমে দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর করবে। সহজ ভাবে বলতে হয়, সমাজতন্ত্র হলো, সমাজ পূর্ণঘটনের এক দীর্ঘ প্রক্রিয়ার বিষয় যা শ্রমিক শ্রেণরি স্বার্থে পূর্ণগঠিত হবে । তার অর্থ হলো সমাজ কমিউনিজমের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, সকল প্রকার শোষন প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটাতে । সমাজতন্ত্রের অর্থ হলো এখন ও আমরা আমাদের চূড়ান্ত গন্তব্য সাম্যবাদে বা কমিউনিজমে পৌঁছতে পারিনি । সমাজতন্ত্র হলো একটি অর্ন্তবতী কালিন স্তর ; যেখানে শ্রমিক শ্রেনীকে কাজ করতে হয় বিপ্লবের প্রতিক্রয়াশীল চক্রের বিরোদ্ধে । সমাজতান্ত্রিক স্তরে শ্রেনী শত্রুর অস্তিত্ব বিদ্যমান থাকে, তাদের কে ও দমন করতে হয় । যদিও শ্রমিকশ্রেণরি হাতে রাষ্ট্র ব্যবস্থার কর্তৃত্ব থাকে তবু সেই স্তরে দ্বন্ধ ও অস্থিরতা বিরাজ করে, তার ও সমাধান করতে হয় । কোন একটি মাত্র দেশে ও সমাজতন্ত্র কায়েম করা যেতে পারে, তবে কমিউনিজম কায়েম করতে হবে বিশ্বজুড়ে । যেসকল কারণে উত্তর কোরিয়া ও কিউবা সমাজতান্ত্রিক নয় ; ঠিক সেই সকল কারনেই ওবামার রাজ্য ও সুইডেন সমাজতন্ত্রী নয । সেই সকল রাষ্ট্র গুলো কমিউনিজমের জন্য পরিচালিত হচ্ছে না, সেই নেতৃত্ব ও সমাজের সকল নিপিড়নের সমাপ্তি ঘটাতে নেতৃত্বে আসীন হননি। সমাজতন্ত্রকে শুধুমাত্র কমিউনিজমে উত্তরণের পথ বা পন্থা হিসাবেই বিবেচনা করতে হবে ।

আমাদের বিপ্লবের প্রধান গন্তব্যস্থলই হলো কমিউনিজম । সকল প্রকার নিপিড়ন ও শোষণের অবসান । কেহ ধনী আর কেহ গরীব থাকবেনা । জাতিগত,গৌষ্ঠীগত ও লিঙ্গগত বৈশম্য থাকবে না । থাকবেনা তরুণ ও যুব সমাজের অপব্যবহার । সাম্যবাদ হলো সম্পূর্ণ মুক্তি ও স্বাধীনতা । এক দলের উপর আর এক দলের কোন প্রকার প্রভুত্ব করার সুযোগ থাকবে না । মার্কস ও লেনিনের ভাষ্য অনুযায়ী রাষ্ট্র হলো এক শ্রেণরি উপর আরেক শ্রেণীর উৎপিড়ক যন্ত্র । যখন এক দল অরেক দলের উপর প্রভাব খাটানোর চেষ্ঠা করবেনা, তখন আর রাষ্ট্রের ও দরকার থাকবে না । সাম্যবাদ হলো ন্যায় পরায়ণতা । সমাজ গঠিত ও পরিচালিত হবে সমাজের প্রয়োজনে । ব্যাক্তিবাদ ও অর্থলিপ্সা থাকবে না । সাম্যবাদী সমাজে মানুষ নিজেকে একা বা একক ভাবে বিবেচনা করবে না । সাম্যবাদ হলো সামগ্রীকতা, সকলের অংশগ্রহনে সকলের জন্য কল্যান । সাম্যবাদে কোন প্রকার ব্যক্তিগত সম্পত্তি থাকবে না । সাম্যবাদ হলো আত্ম ত্যাগের সঠিক নমুনা । মহান মার্ক্সের ভাষ্য হলো, “ সামর্থানুসারে কাজ করবে, এবং চাহিদানুসারে পাবে”। মানুষের কাজকর্ম মানব সেবার চেতনায় পরিচালিত হবে । মানুষ একক সাম্যবাদের আওতায় থাকবে । সাম্যবাদে আমি, আমি,আমি নেই, সেখানে স্থিতিশীলতা নিশ্চত হবে । সকল মানুষ, আর আমাদের সকলের বাসযোগ্য গ্রহটিকে ধ্বংস করবে না । আগামী প্রজন্মের জন্য আমাদের রয়েছে এক সুন্দর স্বপ্ন ও অঙ্গীকার । সাম্যবাদে কোন প্রকার আগ্রাসী শক্তির আস্ফালন থাকবে না । সাম্যবাদ হলো শান্তি । সাম্যবাদের আওতায় বিপ্লব সয়ংক্রিয়ভাবে চলমান থাকবে । পূর্ণ সাম্যবাদ পৃথিবীতে কখনই ছিলনা, যদিও কোন কোন আদিবাসী সমাজে সাম্যদাদের সাথে মিলে যায়, এমন কিছু রীতিনীতি চালু ছিল যাকে কেহ কেহ “আদিম সাম্যবাদ বলে অভিহিত করেছেন” ।

সাম্যবাদের পথে এগিয়ে যওয়ার জন্য মানব ইতিহাসে দুইটি বড় ধরনের বিপ্লবী ঢেউ বয়ে গেছে । ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিকদের বিপ্লব । যদি ও হতাশা জনক ভাবে প্রতি বিপ্লবের মাধ্যমে ১৯৫০ সালের পর থেকে পুঁজিবাদ পুনঃ প্রতিষ্ঠা লাভ করে । আমরা বিপ্লবী যাত্রা পথে সৌভিয়েত ইউনিয়ন থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি । লেনিন ও ষ্ট্যালিন এর শাসন আমল থেকে ও আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে । অমরা মুক্ত ভাবে , সমালোচকের দৃষ্ঠিতে ও যুক্তি সহকারে তুলে ধরতে পারি । দ্বিতীয় বিপ্লবের ঢেউটি এসেছিল দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর উপনিবেশিকতার বিরোদ্ধে লড়াইয়ের পথ ধরে । তখন বেশ কিছু দেশে বিপ্লব সংগঠিত হয় । আর এর মধ্যে মাও এর নেতৃত্বে চিনের বিপ্লবের কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে । পৃথিবীর প্রায় এক চতুর্থাংশ মানুষ জেগে উঠলো, তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে। সমাজতন্ত্র বির্নিমানের সকল পথ ও পন্থা গ্রহন করা হয়েছিল সাম্যবাদের দিকে এগিয়ে যওয়ার জন্য । এর মধ্যে চিনের সংস্কৃতিক বিপ্লব ছিল বিশেষ ভাবে উলেখ করার মত। যা শুরু হয়েছিল ১৯৬৬ সালে এবং তার সমাপ্তি হয় ১৯৭০ সালে । সাংস্কৃতিক বিপবের প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল সমাজতন্ত্র থেকে সাম্যবাদে উত্তরণ ঘটানো । মওবাদীগণ ভাল ভবেই বোঝতে পেরেছিলেন যে, যদি তারা সামনের দিকে সাম্যবাদের দিকে ক্রমাগত এগিয়ে না যান তবে বিপ্লবের সমূহ বিচ্যুতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখাদিতে পারে । একটি নতুন বুর্জোয়া দল পার্টি ও রাষ্ট্রে উদ্ভব হতে পারে । ১৯৬৬ সালে একটি সাংস্কৃতিক বিপব শুরু করা হয়েছিল নতুন বুর্জোয়দেরকে দমন করে সাম্যবাদেও পানে দ্রুত এগিয়ে যওয়ার জন্য । ইহা ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পযর্ন্ত উৎর্কষ সাধিত হয় । সেই সময়টাতেই শ্রেণী সংগ্রাম, গণ আন্দোলন, বৈপবিক সামাজিক মিতষ্ক্রিয় ও সাম্যবাদী করন প্রক্রিয়া ; এবং প্রাগ্রসর সামাজিক ও সংস্কৃতিক র্চচা । তখন সাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনয়ন করে । মাওবাদীগন পরিকল্পনা করেন যে, সাংস্কৃতিক বিপবের ভেতর দিয়ে , সামাজিক সঞ্চালনের মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রের আমলাতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে পূর্ণ সাম্যবাদ কায়েম করা । তখন সুসম বন্ঠন ও আত্ম ত্যাগের উদাহরন সৃষ্টি হয় । সেই সময়েই আমরা দেখেছিলাম নতুন সমাজিক কর্মকান্ড এবং সমাজের নতুন নেতৃত্ব ও কর্তত্ব । গতানুগতিক ধারার রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয় । নতুন নেতৃত্বের উন্মেষ ঘটে । যৌথ কর্মকান্ডের বিকাশ ঘটে । ব্যাক্তি মালিকানাবাদে মনুষ নিরুৎসাহিত হয় । আমরা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কালে এবং তার শ্রোতধারায় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গীকে উচ্ছে তুলে ধরতে পেরেছিলাম । আমাদের সামনে নতুন ও অন্য এক দুনিয়ার দরজা খোলে গিয়েছিল ; আর ইহাই সাম্যবাদী পৃথিবী যা দেখতে এমনই হবে ।

সাংস্কৃতিক বিপব কি নির্ভূল ছিল ? অবশ্যই না । ইহা হেরে গেছে । ১৯৭০ সালে সংশোধনবাদী ও নতুন বুর্জোয়দের মাধ্যমে পুঁজিবাদ আবার চীনে পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করেছে । মাও সেতং বলেছিলেন সাম্যবাদে পৌছাঁর জন্য আমাদেরকে অনেকগুলো সাংস্কৃতিক বিপ্লব সাধন করতে হবে । সে যাই হোক, সমাজতন্ত্র থেকে সাম্যবাদে উত্তরণের জন্যই সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু করা হয়েছিল । পরবর্তীতে আবার আমরা যখন কর্ত্বত্ব গ্রহন করব তখন সাম্যবাদ পতিষ্ঠা করবো । বিপ্লবের ইতিহাস হলো বিশাল ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষন ও যাচাই বাচাইয়ের বিষয় । আমরা আমাদের অতীত সফলতা বিফলতা থেকে বহু কিছু শিখব । আমরা আমাদের বিপ্লব কে ক্রমাগত চালিয়ে যাব, যতদিন পর্যন্ত না সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠিত না হবে । বর্তমানে আমাদের অগ্রগতি হলো লিডিং লাইট কমিউনিজম । আমাদেও আছে পরিকল্পনা, আছে নেতৃত্ব, আছে সংগঠন, লিডিং লাইট কমিউনিষ্ট অর্গানইজেশন, যা একটি অগ্রনিবাহিনী হিসাবে নতুন আরও এক বিপবের ঢেউ তুলতে সহায়তা করবে ।

এখন খুবই খারপ সময় চলছে । কোথাও কোন সাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র নেই । অল্প সংখ্যক প্রকৃত কমিউন্ষ্টি আছে । আকাশে আজ পথ দেখানোর মত তারকার সংখ্যা ও খুব কম । এখন আমরা এক গোলাটে অবস্থায় আছি । কে সত্য আর কে মিথ্যা তা ফারাক করা বেশ কঠিন । আমাদের আন্দোলন দিনে দিনে বেড়ে উঠছে বলতে পরছিনা কার মনে কি আছে ? কার মনে সত্যের সূও বাজছে । চার পার্শ্বে থাকলে এখন কিছু লিডিং লাইট দেখতে পাওয়া যায় । তারাই আমাদেরকে আগমী দিনের বিপবের জন্য নেতৃত্ব দিতে পারেন । তারাই সাম্যবাদেও আলোকোজ্জল পথে হাটছেন । পৃথিবীতে সাম্যবাদের চাইতে সুন্দর ও গৌরবের আর কিছু নেই । ইহা একটি কঠিন পথ । ইহা একটি বিপদ সংকুল লং র্মাচ । আমরা আমাদের কমরেডদেরকে হারাতে পারি, অনেক ভুল করতে পারি । সেখানে অনেক মতামত ও চলার পথে বাকঁ নিতে হতে পারে । যখন কঠিন সময় আসবে তখন আমরা এ পথ ছেড়ে দেওয়ার কথা ভবতে পারি । আমাদেও মনে রাখতে হবে আমরা সাম্যবাদ চাইছি তা আমরা পাবই । এটা শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র । সাম্যবাদের জন্য লড়াই হলো দীর্ঘমেয়াদী লড়াই । ছোট ছোট অভিযানে বড় বড় বিজয় । সম্যাবাদের জন্য লড়াইয়ের চেয়ে সৃজনশীল ও সুন্দর আর সাহসের কিছু নেই । এর চেয়ে আর কোন বড় অভিযান নেই । আমরা ইতিহাস তৈরী করতে যাচ্ছি । আমরা সম্যবাদের জন্য বাঁচব, আমরা সাম্যবাদের জন্য মরব। আমরা আর কিছুই চাই না ।
লাল সালাম !
লিডিং লাইট কমিউনিজমের পথে আসুন !
লিডিং লাইট দীর্ঘজীবি হোক !

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s