কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র…

কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র (ইংরেজি: Utopian socialism) হচ্ছে আধুনিক সমাজতান্ত্রিক চিন্তার প্রথম স্রোতটিকে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত যৌগিক শব্দ। এটিকে সাধারণত সাঁ-সিমো, শার্ল ফুরিয়ে, এবং রবার্ট ওয়েনের কর্মসুচিসমূহের দ্বারা উদাহরণীকৃত করা হয়।[১] শব্দটি দ্বারা প্রায়ই সেইসব সমাজতন্ত্রীদের বোঝানো হয় যারা ১৯ শতকের প্রথম চতুর্থাংশে বাস করতেন এবং তাদের ভাবনাগুলোকে কাল্পনিক এবং অবাস্তব বলে নাকচ করার জন্যে তাদেরকে পরবর্তীকালের সমাজতন্ত্রীরা “কল্পলৌকিক” বলে চিহ্নিত করেন।[২] ২০ শতকে নৈতিক সমাজতন্ত্র নামে একই ধরনের চিন্তাবিদের আবির্ভাব ঘটে যেটি সমাজতন্ত্রকে নৈতিক ভিত্তির উপর দাঁড় করে।
সাহিত্যে এবং অনুশীলনে কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র

সম্ভবত প্রথম কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্রি ছিলেন থমাস মুর (১৪৭৮-১৫৩৫), যিনি একটি কাল্পনিক সমাজতান্ত্রিক সমাজের কথা তাঁর বিখ্যাত বই ইউটোপিয়াতে। শব্দটির মধ্যে দুটি গ্রীক শব্দের মিশেল আছে: “outopia”, যার অর্থ ‘কোনো জায়গা নয়’ এবং “eutopia”, যার অর্থ হলও ‘ভালো জায়গা’।[৩] সেই বই থেকেই আধুনিককালের “কল্পলোক” বা ইংরেজি “ইউটোপিয়া” শব্দটির সংজ্ঞা এসেছে।

এছাড়া উনিশ শতকের কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্রিদের দ্বারা কল্পিত নানা ব্যবস্থাগুলো পরবর্তীকালে পরিণত হয়েছিলো বৈজ্ঞানিক সাম্যবাদের নানা তাত্ত্বিক উৎসে। তাঁদের ঐতিহাসিক অবদান হলও এটই যে তাঁরা উদিত পুঁজিবাদকে তীব্র ও সাহসী সমালোচনায় খণ্ড-বিখণ্ডিত করেছেন।[৪]

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s